اَللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُ أَكْبَرُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُ أَكْبَرُ وَلِلّٰهِ الْحَمْدُ. اَللّٰهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا، وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ كَثِيرًا، وَسُبْحَانَ اللّٰهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا. لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ، بِيَدِهِ الْخَيْرُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ. رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنْتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ. رَبَّنَا وَاجْعَلْنَا مُسْلِمَيْنِ لَكَ وَمِنْ ذُرِّيَّتِنَا أُمَّةً مُسْلِمَةً لَكَ، وَأَرِنَا مَنَاسِكَنَا وَتُبْ عَلَيْنَا، إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ. رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ، وَاعْفُ وَتَكَرَّمْ، وَتَجَاوَزْ عَمَّا تَعْلَمُ، إِنَّكَ تَعْلَمُ مَا لَا نَعْلَمُ، إِنَّكَ أَنْتَ اللّٰهُ الْأَعَزُّ الْأَكْرَمُ. رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً، وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ. اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ، مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّهِ، عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ، وَأَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ. وَأَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا سَأَلَكَ عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا اسْتَعَاذَ مِنْهُ عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً تُصْلِحُ بِهَا شَأْنِي فِي الدَّارَيْنِ، وَارْحَمْنِي رَحْمَةً أَسْعَدُ بِهَا فِي الدَّارَيْنِ، وَتُبْ عَلَيَّ تَوْبَةً نَصُوحًا لَا أَنْكُثُهَا أَبَدًا، وَأَلْزِمْنِي الِاسْتِقَامَةَ لَا أَزِيغُ عَنْهَا أَبَدًا. لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ، أَنْجَزَ وَعْدَهُ، وَنَصَرَ عَبْدَهُ، وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَهُ. لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ، وَلَا نَعْبُدُ إِلَّا إِيَّاهُ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُونَ. إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللّٰهِ، فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا، وَمَنْ تَطَوَّعَ خَيْرًا فَإِنَّ اللّٰهَ شَاكِرٌ عَلِيمٌ.
আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ; আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, আর আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ; আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, অতি মহান; আল্লাহর জন্য অজস্র প্রশংসা; আর সকাল-সন্ধ্যা আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করি। আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই; রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই; তিনিই জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান; তাঁর হাতেই সকল কল্যাণ, এবং তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান। পরওয়ারদেগার! আমাদের থেকে কবুল কর। নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞ। পরওয়ারদেগার! আমাদের উভয়কে তোমার আজ্ঞাবহ কর এবং আমাদের বংশধর থেকেও একটি অনুগত দল সৃষ্টি কর, আমাদের হজ্বের রীতিনীতি বলে দাও এবং আমাদের ক্ষমা কর। নিশ্চয় তুমি তওবা কবুলকারী। দয়ালু। হে আমার রব! ক্ষমা করুন ও দয়া করুন, মাফ করুন ও অনুগ্রহ করুন, এবং আপনি যা জানেন তা উপেক্ষা করুন; নিশ্চয়ই আপনি জানেন যা আমরা জানি না; নিশ্চয়ই আপনিই আল্লাহ, সর্বাধিক পরাক্রমশালী, সর্বাধিক মহানুভব। হে পরওয়ারদেগার! আমাদিগকে দুনিয়াতেও কল্যাণ দান কর এবং আখেরাতেও কল্যাণ দান কর এবং আমাদিগকে দোযখের আযাব থেকে রক্ষা কর। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সকল কল্যাণ চাই, তাৎক্ষণিক ও বিলম্বিত, যা আমি জানি এবং যা জানি না; আর সকল অকল্যাণ থেকে আপনার আশ্রয় চাই, তাৎক্ষণিক ও বিলম্বিত, যা আমি জানি এবং যা জানি না। আমি আপনার কাছে জান্নাত এবং তার নিকটবর্তীকারী প্রতিটি কথা ও কাজ চাই, আর জাহান্নাম এবং তার নিকটবর্তীকারী প্রতিটি কথা ও কাজ থেকে আপনার আশ্রয় চাই। আপনার বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদ ﷺ আপনার কাছে যে কল্যাণ চেয়েছেন, আমিও তা চাই; আর আপনার বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদ ﷺ যে অকল্যাণ থেকে আশ্রয় চেয়েছেন, আমিও তা থেকে আপনার আশ্রয় চাই। হে আল্লাহ! আমাকে এমন ক্ষমা দান করুন যার দ্বারা আপনি উভয় জগতে আমার অবস্থা সংশোধন করে দেবেন; আমার প্রতি এমন রহমত করুন যার দ্বারা আমি উভয় জগতে সৌভাগ্যবান হব; আমাকে এমন খাঁটি তাওবার তাওফিক দিন যা আমি কখনো ভঙ্গ করব না; এবং আমাকে এমন ইস্তিকামাতে অবিচল রাখুন যা থেকে আমি কখনো বিচ্যুত হব না। আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক; তিনি তাঁর ওয়াদা পূর্ণ করেছেন, তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং একাই সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করেছেন। আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই; আমরা দ্বীনকে তাঁর জন্য একনিষ্ঠ করে কেবল তাঁরই ইবাদত করি, যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করে। নিঃসন্দেহে সাফা ও মারওয়া আল্লাহ তা’আলার নিদর্শন গুলোর অন্যতম। সুতরাং যারা কা’বা ঘরে হজ্ব বা ওমরাহ পালন করে, তাদের পক্ষে এ দুটিতে প্রদক্ষিণ করাতে কোন দোষ নেই। বরং কেউ যদি স্বেচ্ছায় কিছু নেকীর কাজ করে, তবে আল্লাহ তা’আলার অবশ্যই তা অবগত হবেন এবং তার সে আমলের সঠিক মুল্য দেবেন।
উমরাহর প্রচলিত দোয়াDiyanet, Hajj and Umrah Duas (2026) p.60-66